ধ্যুর আর ভাল্লাগে না।। কেউ আমারে বোঝে না।।আমি বিয়ে করলে সমস্যাটা কি বুঝি না।। আব্বুকে কে বলবে যে ওই মেয়েকে আমার ভালো লাগে।।।
এই পর্যন্ত পড়ে কিছু একটা তো আচ করতে পেরেছেন তাই না।। খুলেই বলি, কেউ একজন একটা মেয়েকে পছন্দ করে বিয়েও করতে চায় কিন্তু বাড়িতে বাবাকে বলে যে বিয়ে করবে এমন কিছুই করতে পারছে না, সুতরাং সেই একজনের মন খারাপ।।
আকার ইঙ্গিতে বলেছে কিন্তু বিনিময়ে বড় বড় আকারের উপদেশ পেয়েছে।।কিন্তু সে সিউর ওই মেয়ে ছাড়া তার চলবেই না। আমাদের শিক্ষিত সমাজে পরিবার থেকে ছেলেদের বিয়ের পার্মিশন দেওয়া হয় ৩০ বছরে বয়সে।মেয়েরা একটু পিছিয়ে আছে অনার্স এর মধ্যেই মোটামুটি বিয়ে পাশ করে তারা। । অনেক আগে থেকে এটাই ফিক্সড age. আর সেই তুলনাই মন খারাপ করা ছেলেটা একবাক্যে দুধের শিশু।। কারন সে এখনো কলেজের বারান্দা মারাই নি।।
ছেলেটা সত্যিই অনেক ছোট তাই না।। কিন্তু ওর মাথায় যে চিন্তা এসেছে সেটাও কি সত্যিকার অর্থে খুব ছোট ব্যাপার......?? প্রশ্নচিন্হ তো একটা দিতেই হয়।। শুধু ওই ছোট্ট বাবুই নয় এরকম ভুরি ভুরি বাবু আর মামনিরা আছে যারা এই একি চিন্তায় নিজেদেরকে বড় করে তুলছে।। এমন সময় পরিবারের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, আর স্বাভাবিক ভাবেই তারা কি করে থাকেন এটা কারোরই দৃষ্টিগোচর নয়।।
ক্লাস ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত বাবা মা আমাদের জন্য নামী দামী স্কুলে আ্যাডমিশন, Psc,Jsc,Ssc বাবদ ৩টা কোচিং ৪টা প্রাইভেটের ব্যবস্থা করেন নিজেরা ভীষন পরিশ্রমও করেন। শতকরা ২০%পরিবার সন্তানের দ্বীনি শিক্ষার ব্যাপারেও যত্নশীল থাকেন।। বাকিঁ সব পরিবার সরকারী পরিবার তাই সেখানে দ্বীন শিক্ষা তোলা থাকে।
এরপর Hsc + বিশ্ববিদ্যালয়ের আ্যাডমিশনে যুদ্ধ পরিচালনা ও উৎসাহ প্রদান করে পরিবার।। বলা যায় পরোক্ষ যুদ্ধই করে থাকে।। তার পর পড়াশেষ, ভালো চাকরী, সরকারী চাকরী, বেতন বৃদ্ধি, ইত্যাদি চলতে থাকে।।অতপর অভিভাবরা মনে করেন এবার ছেলেটা ৩০ হয়েছে, আমাদেরও বয়স হয়েছে, বিয়ে দেওয়া দরকার।।।এতদুর পর্যন্ত আসতে আমাদের সচেতন বাবা মায়েরা একবারও ভাবেন না ১০ম শ্রেনী পযর্ন্ত আমার ছেলেটার মন কেমন আছে, কোনদিকে যাচ্ছে???
ভার্সিটি পর্যন্ত সময় ছেলেটা মানসিক অবস্থা কি পর্যায়ে যেতে পারে।। আর চাকরী অব্দি যাবার দরকার বোধ করছি না।। পরিবারের অভিভাবক রা যেন ১০ বছর থেকে বেড়ে সোজা ৫০ বছরে পৌছেছে তাই ১৫ থেকে ২০, ২০- ২৫ বছর বয়স সম্পর্কে তাদের ধারনা নাই।।তাদের এরূপ আচরনের কারন সত্যিই বোধগম্য হয় না আমার।।।
ওই যে বললাম শতকরা ২০%পরিবার আদর্শ পরিবারের ভূমিকা পালন করে।। শিক্ষিত শ্রেনীর মধ্যে।। বাদ বাকি ৮০%সন্তানদের যেনার ব্যাপারে শামিল থাকে।। ছেলে মেয়ে গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরলে বাবা মায়ের মুখে চুনকালি পরে।। কিন্তু তারা বঝতে পারে না সন্তানদের চুনকালি নিয়ে খেলার সুযোগটা তাদেরই সৃষ্টি।।
বর্তমান সময়ে সামাজিক অবস্থা, প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, ধর্মীয় অজ্ঞানতা আর ধংসাত্নক আধুনিকতা সবকিছু মানুষকে বিপদমুখী করবার একেকটা অস্ত্র।।তার উপর শয়তানের প্রতিনিয়ত কানমন্ত্র চলছেই।।
এতকিছু নিজেরা দেখেশুনেও কিভাবে নিশ্চিন্তে থাকেন যে ছেলেটা এখনো আমাদেরই আছে, কারো প্রেমিক হয় নি।।
সেই দিক থেকে দেখলে আমার কাছে ভ্যানচালক বাবা মা দের নিয়ে ভীষন গর্ব হয়।। তারা জানেই না যেনা কি, তারা জ্ঞানী নয়, শিক্ষিক নয় অথচ যেনার মতো একটা পাপ থেকে তাদের সন্তানরা মুক্ত।।৮ম শ্রেনীতে পড়তেই মেয়ের বিয়ে দেয়।।বড় ঘরের বড় মানুষের ইন্টারে পড়া মেয়েটা যখন ফেসবুকে কারো সাথে প্রমালাপে মগ্ন
তখন ওই ভ্যানওয়ালার মেয়েটা ১ বাচ্চার মা হয়ে স্বামীর ঘর গোছানোতে ব্যাস্ত।। যখন আপনার মেয়ে ডাক্তারী পড়ার সাথে সাথে ৫ বছরের একটা প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে হলে বসে প্রেমিকের সাথে ঝগড়া করছে তখন এই মেয়ে টা কোলে আরেকটা বাচ্চা নিয়ে ছাগল খুজতে বেড়িয়েছে।।
প্রেম করলাম বাবা মা জানলো না, বিয়ের সময় বাবা মা রাজি না।। একদিকে এতদিনের সম্পর্ক অন্যদিকে পরিবার, অতপর যেকোন দিক বেছে নেওয়া, নতুন কারো সংসারে বাধ্য হয়ে ঢুকে পড়ো নয়তো বাবা মা ছেড়ে একা বিয়ে করো।।
পারিবারিক অশান্তি, মানসিক অশান্তি, লোক হাসাহাসি । মৃত্যুর পর কি হবে সে বিষয় বাদই দিলাম ।
এসব উদাহরন ঘরে ঘরে আছে।। তো কোন মেয়েটার জীবন পছন্দ করবেন।। কোন বাবা মা কে সার্থক বলবেন।।?? জানতে চাই??
অবশ্যই বাবা মায়েরা যা করেন তার সবই সন্তানের ভালোর জন্যই করেন।। কিন্তু তারা না চাওয়া সত্বেও সন্তানরা ক্ষতির মধ্যে পরে।। তার সাথে তারা বাবা মাকেও ক্ষতিগ্রস্থ করে।। বাবা মায়েদের উচিত ছেলেমেয়ে ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা স্টেজের আলাদা আলাদা ধারনা রাখা। তার মন মানসিকতা বুঝার চেষ্টা করা।। তার ভালো লাগার খাতিরে ২০ বছর বয়সে বিয়েটা দিয়ে দিতেই পারেন।। যদি কোন বৃহৎ স্বার্থ ক্ষুন্ন না হয়।। এতে করে সে পড়ালেখাও সুন্দর করে মন দিয়ে করতে পারবে, নেশার দিকে আসক্ত হবে না।। বরং ছেলে বউকে একসাথে পড়তে পাঠিয়ে দিলেন।।
অল্প বয়সে বিয়ে দিলে যদি আহা ! মরি কোন ক্ষতিকর দিক থাকতো তবে নবীর আমল থেকেই অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া নিষিদ্ধ থাকতো ।। বস্তুত, বাল্যবিবাহ তো আমরা মানছি কিন্তু মনের মধ্যে যে বাল্যপ্রেমের বাসা তার কি হবে... ??
আমাদের সবারই দাদী নানী আছে।। তাদের বিয়ের গল্প এতদিনে শুনেছেন নিশ্চয়।। ১৮ বছর বয়সে তারা কমপক্ষে ২ সন্তানের জননী ছিলেন, আর আমাদের সাবালক হতে ২২ বছর লাগে, বিয়ের যোগ্য বহুদুরের কথা ।।এদিকে মনের জল গড়িয়ে গড়িয়ে যে কোথায় কতদুর যায় সেটা দেখবে কে???
এক আপুর মুখে শুনলাম তার কোন এক ভাই তাকে বলেছে, আপু হয় আমাকে বিয়ে দাও নয়তো আমি প্রেম করবো।। সোজা বলেদিলাম।।এতদিন সময় পাই নি কিন্তু এখন কিছু একটা করো।। কথাটা আমার ভাল্লাগছে।। সম্পর্ক টা কত্ত সহজ, স্বীকারোক্তি টাও কত্ত স্মার্টলি।। অভিভাবকদের বন্ধুত্বপূর্ন আচরন ভাগ্য করে পাওয়া একটা বিষয়।। পুরো পোষ্টের মর্মার্থে অভিভাবদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা যা কিছুদিন আগে এক আপুর পোষ্টে পড়েছিলাম ঃ
বিয়ের মাধ্যমে উপকারিতা
১।সন্তান যেনামুক্ত, আপনি দায়মুক্ত
২।কুচিন্তা, নেশাসক্তহীন
৩।বড়জোর ছেলের চাকরী পাওয়া পর্যন্ত বউমার আলাদা খরচ চালাতে হবে, কিন্তু তাতে কি ছেলে প্রেম করলে তো প্রেমিকার জন্য ডবল টাকা উড়াতো।।
৪।আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি প্রাপ্তী, পারিবারিক মানসিক অশান্তি মুক্ত।।এছাড়া যেখানে বিয়ে একটা বৈধ বন্ধন, একটা হুকুম সেখানে এটা নিয়ে আপনারা কিভাবে উদাসীন ভাব দেখাতে পারেন।।
বিয়ের বিপরীতে যে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে আপনার প্রিয় সন্তান জড়িয়ে পড়ছে তার শাস্তি সম্পর্কে জেনেশুনে আপনারা কেন সচেতন নন।।যদি আপনাদের অবস্থান সমাজের ঐসব লোকদের কাতারে হতো যারা কিনা অ তে শুধু অজগরই বুঝে তাহলে আজ সেই অ দিয়ে একটা অভিযোগও ছুরে দিতাম না আপনাদের দিকে।।
আপনারা অ তে অনেক কিছু বোঝেন, অজ্ঞ মুর্খরা আপনাদের জ্ঞানের অধিনস্থ তা সত্বেও নিজের সন্তানদের বিয়ে আর বিয়ে বহির্ভূত প্রেমের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান ঝাপসা, অপরিস্কার করে রাখেন।।
এমন টা কেন করেন???.
সন্তান বাকাঁ পথে যাবার আগে সোজা পথে তাকে স্থায়ী করুন।। পিতামাতা হিসেবে যেমন আপনাদের মতামতের মূল্য আল্লাহ দিতে বলেছেন ঠিক তেমনি সন্তানেরও একটা পছন্দ, ইচ্ছা প্রকাশের সুযোগ দিয়েছেন।। আল্লাহর এই ২ হুকুমকে নিজেদের দোষে নিজেদের মধ্যে সাংঘর্ষিক করে না তুলে যথাুযুক্ত সময়ে সহযোগী করে তুলুন।।
কারন, দুরত্ব, বিচ্ছেদ জিনিসটা নিয়ে বেচেঁ থাকা প্রতিটা রক্তের সম্পর্কের কাছে অসহনীয়।। বিশেষ করে বাবা মা আর সন্তানের দুরত্ব কেমন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।।
আমি আপনি যখন বৈধ পন্থাকে হেন তেন ভাবে উড়িয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত নিদ্রামগ্ন হবো।।তখন নিদ্রা ভঙ্গ হলে দেখবো বৈধটার উপর অবৈধ এমন স্থান করে নিবে যেটা আমার আপনার কপাল পোড়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আমরা নিরুপায় থাকবো । বিয়ের আগে প্রেমের যে ঝোক চলছে যে পরিস্থিতি ঘটছে তা আমাদের দায়িত্বহীনতা ও অবজ্ঞা অবহেলারই ফল নয় কি...??
আর না বলি, সবটা বোঝার মতো বয়স আমাদের হয়েছে।। আমার গোমস্তিস্ক হলেও আপানারা সবাই বুদ্ধিমান এটা বুঝি।।
এই পর্যন্ত পড়ে কিছু একটা তো আচ করতে পেরেছেন তাই না।। খুলেই বলি, কেউ একজন একটা মেয়েকে পছন্দ করে বিয়েও করতে চায় কিন্তু বাড়িতে বাবাকে বলে যে বিয়ে করবে এমন কিছুই করতে পারছে না, সুতরাং সেই একজনের মন খারাপ।।
আকার ইঙ্গিতে বলেছে কিন্তু বিনিময়ে বড় বড় আকারের উপদেশ পেয়েছে।।কিন্তু সে সিউর ওই মেয়ে ছাড়া তার চলবেই না। আমাদের শিক্ষিত সমাজে পরিবার থেকে ছেলেদের বিয়ের পার্মিশন দেওয়া হয় ৩০ বছরে বয়সে।মেয়েরা একটু পিছিয়ে আছে অনার্স এর মধ্যেই মোটামুটি বিয়ে পাশ করে তারা। । অনেক আগে থেকে এটাই ফিক্সড age. আর সেই তুলনাই মন খারাপ করা ছেলেটা একবাক্যে দুধের শিশু।। কারন সে এখনো কলেজের বারান্দা মারাই নি।।
ছেলেটা সত্যিই অনেক ছোট তাই না।। কিন্তু ওর মাথায় যে চিন্তা এসেছে সেটাও কি সত্যিকার অর্থে খুব ছোট ব্যাপার......?? প্রশ্নচিন্হ তো একটা দিতেই হয়।। শুধু ওই ছোট্ট বাবুই নয় এরকম ভুরি ভুরি বাবু আর মামনিরা আছে যারা এই একি চিন্তায় নিজেদেরকে বড় করে তুলছে।। এমন সময় পরিবারের ভূমিকা কেমন হওয়া উচিত, আর স্বাভাবিক ভাবেই তারা কি করে থাকেন এটা কারোরই দৃষ্টিগোচর নয়।।
ক্লাস ওয়ান থেকে টেন পর্যন্ত বাবা মা আমাদের জন্য নামী দামী স্কুলে আ্যাডমিশন, Psc,Jsc,Ssc বাবদ ৩টা কোচিং ৪টা প্রাইভেটের ব্যবস্থা করেন নিজেরা ভীষন পরিশ্রমও করেন। শতকরা ২০%পরিবার সন্তানের দ্বীনি শিক্ষার ব্যাপারেও যত্নশীল থাকেন।। বাকিঁ সব পরিবার সরকারী পরিবার তাই সেখানে দ্বীন শিক্ষা তোলা থাকে।
এরপর Hsc + বিশ্ববিদ্যালয়ের আ্যাডমিশনে যুদ্ধ পরিচালনা ও উৎসাহ প্রদান করে পরিবার।। বলা যায় পরোক্ষ যুদ্ধই করে থাকে।। তার পর পড়াশেষ, ভালো চাকরী, সরকারী চাকরী, বেতন বৃদ্ধি, ইত্যাদি চলতে থাকে।।অতপর অভিভাবরা মনে করেন এবার ছেলেটা ৩০ হয়েছে, আমাদেরও বয়স হয়েছে, বিয়ে দেওয়া দরকার।।।এতদুর পর্যন্ত আসতে আমাদের সচেতন বাবা মায়েরা একবারও ভাবেন না ১০ম শ্রেনী পযর্ন্ত আমার ছেলেটার মন কেমন আছে, কোনদিকে যাচ্ছে???
ভার্সিটি পর্যন্ত সময় ছেলেটা মানসিক অবস্থা কি পর্যায়ে যেতে পারে।। আর চাকরী অব্দি যাবার দরকার বোধ করছি না।। পরিবারের অভিভাবক রা যেন ১০ বছর থেকে বেড়ে সোজা ৫০ বছরে পৌছেছে তাই ১৫ থেকে ২০, ২০- ২৫ বছর বয়স সম্পর্কে তাদের ধারনা নাই।।তাদের এরূপ আচরনের কারন সত্যিই বোধগম্য হয় না আমার।।।
ওই যে বললাম শতকরা ২০%পরিবার আদর্শ পরিবারের ভূমিকা পালন করে।। শিক্ষিত শ্রেনীর মধ্যে।। বাদ বাকি ৮০%সন্তানদের যেনার ব্যাপারে শামিল থাকে।। ছেলে মেয়ে গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড নিয়ে ঘুরলে বাবা মায়ের মুখে চুনকালি পরে।। কিন্তু তারা বঝতে পারে না সন্তানদের চুনকালি নিয়ে খেলার সুযোগটা তাদেরই সৃষ্টি।।
বর্তমান সময়ে সামাজিক অবস্থা, প্রযুক্তি, ইন্টারনেট, ধর্মীয় অজ্ঞানতা আর ধংসাত্নক আধুনিকতা সবকিছু মানুষকে বিপদমুখী করবার একেকটা অস্ত্র।।তার উপর শয়তানের প্রতিনিয়ত কানমন্ত্র চলছেই।।
এতকিছু নিজেরা দেখেশুনেও কিভাবে নিশ্চিন্তে থাকেন যে ছেলেটা এখনো আমাদেরই আছে, কারো প্রেমিক হয় নি।।
সেই দিক থেকে দেখলে আমার কাছে ভ্যানচালক বাবা মা দের নিয়ে ভীষন গর্ব হয়।। তারা জানেই না যেনা কি, তারা জ্ঞানী নয়, শিক্ষিক নয় অথচ যেনার মতো একটা পাপ থেকে তাদের সন্তানরা মুক্ত।।৮ম শ্রেনীতে পড়তেই মেয়ের বিয়ে দেয়।।বড় ঘরের বড় মানুষের ইন্টারে পড়া মেয়েটা যখন ফেসবুকে কারো সাথে প্রমালাপে মগ্ন
তখন ওই ভ্যানওয়ালার মেয়েটা ১ বাচ্চার মা হয়ে স্বামীর ঘর গোছানোতে ব্যাস্ত।। যখন আপনার মেয়ে ডাক্তারী পড়ার সাথে সাথে ৫ বছরের একটা প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে হলে বসে প্রেমিকের সাথে ঝগড়া করছে তখন এই মেয়ে টা কোলে আরেকটা বাচ্চা নিয়ে ছাগল খুজতে বেড়িয়েছে।।
প্রেম করলাম বাবা মা জানলো না, বিয়ের সময় বাবা মা রাজি না।। একদিকে এতদিনের সম্পর্ক অন্যদিকে পরিবার, অতপর যেকোন দিক বেছে নেওয়া, নতুন কারো সংসারে বাধ্য হয়ে ঢুকে পড়ো নয়তো বাবা মা ছেড়ে একা বিয়ে করো।।
পারিবারিক অশান্তি, মানসিক অশান্তি, লোক হাসাহাসি । মৃত্যুর পর কি হবে সে বিষয় বাদই দিলাম ।
এসব উদাহরন ঘরে ঘরে আছে।। তো কোন মেয়েটার জীবন পছন্দ করবেন।। কোন বাবা মা কে সার্থক বলবেন।।?? জানতে চাই??
অবশ্যই বাবা মায়েরা যা করেন তার সবই সন্তানের ভালোর জন্যই করেন।। কিন্তু তারা না চাওয়া সত্বেও সন্তানরা ক্ষতির মধ্যে পরে।। তার সাথে তারা বাবা মাকেও ক্ষতিগ্রস্থ করে।। বাবা মায়েদের উচিত ছেলেমেয়ে ছোট থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত প্রতিটা স্টেজের আলাদা আলাদা ধারনা রাখা। তার মন মানসিকতা বুঝার চেষ্টা করা।। তার ভালো লাগার খাতিরে ২০ বছর বয়সে বিয়েটা দিয়ে দিতেই পারেন।। যদি কোন বৃহৎ স্বার্থ ক্ষুন্ন না হয়।। এতে করে সে পড়ালেখাও সুন্দর করে মন দিয়ে করতে পারবে, নেশার দিকে আসক্ত হবে না।। বরং ছেলে বউকে একসাথে পড়তে পাঠিয়ে দিলেন।।
অল্প বয়সে বিয়ে দিলে যদি আহা ! মরি কোন ক্ষতিকর দিক থাকতো তবে নবীর আমল থেকেই অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া নিষিদ্ধ থাকতো ।। বস্তুত, বাল্যবিবাহ তো আমরা মানছি কিন্তু মনের মধ্যে যে বাল্যপ্রেমের বাসা তার কি হবে... ??
আমাদের সবারই দাদী নানী আছে।। তাদের বিয়ের গল্প এতদিনে শুনেছেন নিশ্চয়।। ১৮ বছর বয়সে তারা কমপক্ষে ২ সন্তানের জননী ছিলেন, আর আমাদের সাবালক হতে ২২ বছর লাগে, বিয়ের যোগ্য বহুদুরের কথা ।।এদিকে মনের জল গড়িয়ে গড়িয়ে যে কোথায় কতদুর যায় সেটা দেখবে কে???
এক আপুর মুখে শুনলাম তার কোন এক ভাই তাকে বলেছে, আপু হয় আমাকে বিয়ে দাও নয়তো আমি প্রেম করবো।। সোজা বলেদিলাম।।এতদিন সময় পাই নি কিন্তু এখন কিছু একটা করো।। কথাটা আমার ভাল্লাগছে।। সম্পর্ক টা কত্ত সহজ, স্বীকারোক্তি টাও কত্ত স্মার্টলি।। অভিভাবকদের বন্ধুত্বপূর্ন আচরন ভাগ্য করে পাওয়া একটা বিষয়।। পুরো পোষ্টের মর্মার্থে অভিভাবদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা যা কিছুদিন আগে এক আপুর পোষ্টে পড়েছিলাম ঃ
বিয়ের মাধ্যমে উপকারিতা
১।সন্তান যেনামুক্ত, আপনি দায়মুক্ত
২।কুচিন্তা, নেশাসক্তহীন
৩।বড়জোর ছেলের চাকরী পাওয়া পর্যন্ত বউমার আলাদা খরচ চালাতে হবে, কিন্তু তাতে কি ছেলে প্রেম করলে তো প্রেমিকার জন্য ডবল টাকা উড়াতো।।
৪।আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি প্রাপ্তী, পারিবারিক মানসিক অশান্তি মুক্ত।।এছাড়া যেখানে বিয়ে একটা বৈধ বন্ধন, একটা হুকুম সেখানে এটা নিয়ে আপনারা কিভাবে উদাসীন ভাব দেখাতে পারেন।।
বিয়ের বিপরীতে যে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে আপনার প্রিয় সন্তান জড়িয়ে পড়ছে তার শাস্তি সম্পর্কে জেনেশুনে আপনারা কেন সচেতন নন।।যদি আপনাদের অবস্থান সমাজের ঐসব লোকদের কাতারে হতো যারা কিনা অ তে শুধু অজগরই বুঝে তাহলে আজ সেই অ দিয়ে একটা অভিযোগও ছুরে দিতাম না আপনাদের দিকে।।
আপনারা অ তে অনেক কিছু বোঝেন, অজ্ঞ মুর্খরা আপনাদের জ্ঞানের অধিনস্থ তা সত্বেও নিজের সন্তানদের বিয়ে আর বিয়ে বহির্ভূত প্রেমের ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান ঝাপসা, অপরিস্কার করে রাখেন।।
এমন টা কেন করেন???.
সন্তান বাকাঁ পথে যাবার আগে সোজা পথে তাকে স্থায়ী করুন।। পিতামাতা হিসেবে যেমন আপনাদের মতামতের মূল্য আল্লাহ দিতে বলেছেন ঠিক তেমনি সন্তানেরও একটা পছন্দ, ইচ্ছা প্রকাশের সুযোগ দিয়েছেন।। আল্লাহর এই ২ হুকুমকে নিজেদের দোষে নিজেদের মধ্যে সাংঘর্ষিক করে না তুলে যথাুযুক্ত সময়ে সহযোগী করে তুলুন।।
কারন, দুরত্ব, বিচ্ছেদ জিনিসটা নিয়ে বেচেঁ থাকা প্রতিটা রক্তের সম্পর্কের কাছে অসহনীয়।। বিশেষ করে বাবা মা আর সন্তানের দুরত্ব কেমন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।।
আমি আপনি যখন বৈধ পন্থাকে হেন তেন ভাবে উড়িয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত নিদ্রামগ্ন হবো।।তখন নিদ্রা ভঙ্গ হলে দেখবো বৈধটার উপর অবৈধ এমন স্থান করে নিবে যেটা আমার আপনার কপাল পোড়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আমরা নিরুপায় থাকবো । বিয়ের আগে প্রেমের যে ঝোক চলছে যে পরিস্থিতি ঘটছে তা আমাদের দায়িত্বহীনতা ও অবজ্ঞা অবহেলারই ফল নয় কি...??
আর না বলি, সবটা বোঝার মতো বয়স আমাদের হয়েছে।। আমার গোমস্তিস্ক হলেও আপানারা সবাই বুদ্ধিমান এটা বুঝি।।